পেয়ারা সকলের পছন্দের একটি ফল এবং এর পুষ্টিগুণ ও অনেক" এটা মোটামুটি সকলেরই জানা। কিন্তু পেয়ারা পাতার গুন সম্পর্কে জানা আছে কী। পেয়ারা পাতার গুণ ও কম নয় বিশেষ করে চা হিসেবে। মূলত চায়ের ভেতর পেয়ারা পাতা ফুটিয়ে খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে অনেক দেশে। পুষ্টিবিদদের মতে পেয়ারা পাতার চা ভেজস্রা চা হিসেবে পরিচিত" যাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্লাবনওয়েড ও কুইসারটি সহ নানা ওষুধি গুণ রয়েছে। চলুন জানা যাক পেয়ারা পাতার চা এর উপকারিতা ও পেয়ারা পাতার চা এর সকল ওষুধি গুণ।
জানা যায় এক মগ পেয়ারা পাতার চায়ে রয়েছে প্রচুর ক্যালরিন, কার্বোহাইড্রেট রয়েছে ১.০ গ্রাম। কিন্তু পেয়ারা পাতার চা ভিটামিন এবং খনিজ গুলোর উৎস নয়, তাই এতে অনন্য পলিফেনন রয়েছে যা এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
পোস্ট সূচীপত্র
ডায়াবেটিস
গবেষণায় দেখা গেছে নানাবিধ রোগ সারাতে সহায়তা করে এই পেয়ারা পাতার চা,জার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া" মূলত এই রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করার ক্ষমতা রাখে পেয়ারা পাতার চা "গ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্য পেটের ব্যাথাও কমাতে সহায়তা করে এই পেয়ারা পাতার চা ।
আরো পড়ুন: ডায়াবেটিস রোগীর মধু খাওয়ার নিয়ম - ডায়াবেটিস রোগী কি মধু খেতে পারবে
কোলেস্ট্রল' একটি গবেষণায় দেখা গেছে ৮ সপ্তাহ ধরে পেয়ার পাতার চা খেলে কোলেস্ট্রল মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। পেয়ারা পাতার চা খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। খাওয়া-দাওয়ার পর পেয়ারা পাতার চা খেলে রক্তের দুই ধরনের সুগার, সুঘ্রস এবং মিলাটন নিয়ন্ত্রণ থাকে, এতে করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এই পেয়ারা পাতার চা খেলে।
ওজন বৃদ্ধি কমাই
পেয়ারা পাতার চা নিয়মিত খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। জটিল সেতোসাজকে ঝড়াতে সাহায্য করে পেয়ারা পাতায় থাকা উপাদান। পেয়ারা পাতার রস কিংবা পেয়ারা পাতার চা খেয়ে ওজন কমানো যায়।
দাঁত ব্যাথা
পেয়ারা পাতার চা দাঁত ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁত থেকে রক্ত বার হওয়ার মতো রোগ সারাতে পারে। পেয়ারা পাতা দিয়ে সকাল বেলার দাঁত মাজলেও উপকার পাবেন। চেষ্টা করবেন প্রতিদিন পেয়ারা পাতার চা খেতে।
ব্রণ
পেয়ারা পাতায় থাকা ঔষধি উপাদান শরীরের টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে, নিয়মিত পেয়ারা পাতার চা খেলে ব্রণ এর সমস্যা থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া যায়। সকালবেলা পেয়ারা পাতার চা বা রস খাওয়া বেশ উপকারী ।
ক্যান্সার
গবেষণায় দেখা গেছে পেয়ারা পাতায় উপস্থিত লাইকোপেন নামক একটি উপাদান ব্রেস্ট প্রোস্টেট এবং ওরাল ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে, তাই পেয়ারা পাতার চা পানের অভ্যাস অনেক উপকারী।
তবে মনে রাখবেন যাদের একজিমা সমস্যা রয়েছে তাদেরকে পেয়ারা পাতার চা পান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এক গবেষণায়।
কীভাবে চা তৈরি করবেন
কিভাবে তৈরি করবেন পেয়ারা পাতার চা । টাটকা কিছু পেয়ারা পাতা ধুয়ে নিন, একটি পাত্রে দেড় কাপ পানি নিয়ে তাতে পেয়ারা পাতা দিয়ে দুই মিনিট ফুটিয়ে নিন, এবার এতে চা পাতা গুরা দিয়ে প্রায় 10 মিনিট মত ফুটিয়ে নিন, এবার কাপে ঢেলে এতে এক চামচ মধু নিন" ব্যাস তৈরি হয়ে গেল আপনার পেয়ারা পাতার চা ।
চুল পড়া কমায়
পেয়ারা পাতায় প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা চুলের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। পেয়ারা পাতা অসময়ে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করবে। এটি একইভাবে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এই পেয়ারা পাতার চা নিয়মিত খেলে।
আমার মতামত
আসসালামু আলাইকুম, মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে রোগ দিয়েছে" সেই সঙ্গে সেই রোগের প্রতিকারও দিয়েছি প্রকৃতির মাঝে কিন্তু আমরা সেই রোগের প্রতিকার প্রকৃতির মাঝে থেকে খুঁজে বার করতে হবে। সেই আদিম যুগ থেকে এখন পর্যন্ত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা চলে আসছে। আয়ুর্বেদিকরা বিশেষ করে প্রাকৃতিক ভাবে ঔষধ তৈরি করে থাকে।
