ফ্যাকাশী চামড়ার রক্তপিপাসু মানুষ তারা মৃত" কিন্তু বৃদ্ধি হেঁটে বেড়াচ্ছে। সূর্যের আলোকে তারা ভীষণ ভয় পায় বুঝেই গেছেন কাদের কথা বলছি ভ্যাম্পায়ার।গল্প সাহিত্যে কিংবা সিনেমায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে প্রচলিত ভ্যাম্পায়ারদের সত্যিই বাস্তবে অস্তিত্ব আছে নাকি কাল্পনিক আরে ব্যাপারে ইতিহাস এবং বিজ্ঞান কি বলছে তাই জানবো আজ আমি তোমাদের।
পোস্ট সূচিপত্র: ভ্যাম্পায়াদের বাস্তবে অস্তিত্ব আদৌ ছিল
ইতিহাসে ভ্যাম্পায়ারের প্রমাণ মেলে
ইতিহাস ঘাটাঘাটি করলে ভ্যাম্পায়ারের প্রমাণ মেলে শত শত বছর আগের ভ্যাম্পায়াররা যাতে কবর থেকে উঠে না আসতে পারে তার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হতো মৃতদেহের মুখে পাথর দেওয়া থাকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন অংশের পেরেক দিয়ে কবরে রেখে দেয়া হতো। এই রীতির প্রমাণ মেলে ২০০৬ সালের ইতালিতে ১৬ শতকের এক মহিলার কংকালেও" তার চোয়ালের মধ্যেও পাথর আটকানোর ছিল।
বুলগেরিয়ায় ভ্যানপায়ার গ্রেব আবিষ্কৃত
তারপর বুলগেরিয়ায় আরেকটি ভ্যানপায়ার গ্রেব আবিষ্কৃত হয়। ধারণা করা হয় কবরটি ১৩ শতাব্দীর মারা যাওয়া এক মৃত্য ব্যক্তির এখানেও সেই একই রিচুয়ালের সন্ধান মেলে" কঙ্কালটির চোয়ালে পাথর আটকানো। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে মধ্যযুগের মৃতদেহের শরীরে ধাতু জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হতো।
আরো পড়ুন: ফুটপাতে চা বিক্রি করে কোটিপতি
শুধু একটি কারণ যাতে তার মধ্যে কোন খারাপ কিছু প্রবেশ করতে না পারে। বা সে মৃতদেহটি ভ্যাম্পায়ারে পরিণত না হতে পারে।
ভ্যানপায়ারের কবর
প্রফেসর নিকোলাই উচ্ছেরিয়ার নামে বুলগেরিয়ান প্রত্নতান্ত্রিক এই কবরটি আবিষ্কার করেন। এছাড়া আয়ারল্যান্ড এবং ব্রিটেনেও একই রকমের কঙ্কাল পাওয়া যায়। ২০০৪ সালের প্রত্নতাত্তিকের একটি আবিষ্কারের কথা না বললেই নয়। আয়ারল্যান্ডের ছোট্ট একটি এলাকা ক্লিটিসিয়ান" কিটসিল নামক এক প্রত্নতান্ত্রিক তার সহকর্মীদেরকে নিয়ে পুরনো একটি গ্রেভিয়ান খনন করে সেখানে প্রায় ৩০০০ হাজার কবরের সন্ধান পাই।
তবে তিন হাজার কঙ্কাল এর মধ্যে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুইটি কঙ্কাল যাদের চোয়ালে বড় বড় পাথর চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। এমন কি তাদের অঙ্গগুলো ভেঙ্গে পাথরের সাথে বেঁধে দেয়া হয়েছিল। ডান কাঁধে, হৃদপিণ্ড এবং বাম পায়ে পেরেক দেয়া হয়েছিল কঙ্কালগুলোতে" কিন্তু কেন মৃত দেহ গুলোর সাথে এত নির্মম কাজ করা হয়েছিল।
আইরিশরা এখনও ভ্যানপায়ার বিশ্বাস করে
ক্লিট্রিশিয়ানের বসবাসকারী আইরিশরা খুব শক্তভাবে ভ্যাম্পায়ার বিশ্বাস করতেন। বোঝাই যাচ্ছে এ মৃতদেহ দুটি যাতে ফিরে আসতে না পারে সে জন্যই এ ব্যবস্থা। এই গ্রামের বাসিন্দারা এতটাই ভয় পাইছিলেন যে এখনো এই গ্রামটি জনমানব শূন্য হয়েই পড়ে আছে।
আরো পড়ুন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জ্বীন শিক্ষার্থীর ঘটনা
বেশ কিছু আইরিশ লেখোকের লেখনীতে ভ্যাম্পায়ার এর কথা বলা হয়েছে" এমনকি বিখ্যাত ড্রাকুলা চরিত্রের রূপকার ড্রাম স্টুকার ও আইল্যান্ডের। পূর্ব ইউরোপের মধ্যে ভ্যাম্পায়ারদের নিয়ে কল্পকাহিনী সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ভ্যাম্পায়ার শব্দটিও এসেছে এখান থেকেই" পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিতে ভ্যাম্পায়ার একজিস্ট করে।
আরো পড়ুন: এক মুভির জন্য কত টাকা নেন স্বস্তিকা
যেমন চায়নাতে ডাকা হয় সামসিং নামে, আবার ইরাম ইয়াহু বলা হয় অস্ট্রেলিয়াতে এবং ভারতের বলা হয় বেতাল বা প্রিসাজ। ভ্যাম্পায়ার কঙ্কালগুলো অন্য কঙ্কালের থেকে আলাদা এদের শরীরের পচনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য গুলো ছিল না। ফরেনসিক গবেষণায় দেখা যায় ওই কঙ্কাল গুলোতে মৃত্যুরও পর দাঁত এবং নখ লম্বা হচ্ছিল।
আমার মতামত
আসসালামু আলাইকুম, ভেম্পায়ারের অস্তিত্ব আছে কি না এটা আমি বলতে পারব না কিন্তু ভ্যাম্পায়েন নিয়ে যেসব মুভিগুলো তৈরি হয় সত্যি বলছি সেই মুভি গুলো দেখতে অনেক জোস লাগে। আমি তার ভেতর সাজেস্ট করতে পারি ব্লেড,দ্যা লস্ট বয়েছ, ব্রাম স্টোকার ড্রাকুলা, নামে মুভিগুলো। এর ভেতর ব্লেড সেই ২০০০ সালে এই মুভির শুরু হয় এখন পর্যন্ত এই মুভিটির চারটি পার্ট আসছে, এবং ২০২৩ সালে ব্লেডের পাঁচ নাম্বার পার্ট আসতে পারে।

